ফেনী    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী
সর্বশেষ
ছাগলনাইয়ায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট

ছাগলনাইয়ায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট

ছাগলনাইয়া পৌর শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা হিসেবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট। গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরোনো মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গায় নির্মিত স্থাপনাগুলো বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও সওজের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক। এ সময় সওজের উপ-তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহতাব উদ্দিন রুমি, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজেল হোসেন হাওলাদার, ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের একটি টিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে, রোববার (১৯ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে মাইকিং করা হয়। পরবর্তী দুইদিন উপজেলা প্রশাসন ও সওজের যৌথ অভিযানে প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটসহ কয়েকটি স্থায়ী স্থাপনা ভাঙা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি উচ্ছেদ না করার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।সর্বশেষ বুধবার একই অভিযানের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট উচ্ছেদ করা হলে নতুন করে এ উচ্ছেদ বিলম্বের কারণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্থাপনাটি অবৈধ দখলে থাকলেও সর্বশেষ যৌথ উচ্ছেদ অভিযানে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক বলেন, কোনো চাপের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় উচ্ছেদ করা হয়নি। এটি আমাদের চলমান উচ্ছেদ অভিযানেরই অংশ। স্থাপনাটি সওজের জায়গার মধ্যে পড়েছে কি না, সেটি যাচাই-বাছাই করতে কিছুটা সময় লেগেছে। নিশ্চিত হওয়ার পরই উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া জায়গা পুনর্দখলের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ ফারহানা পৃথা বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়টি স্থায়ী স্থাপনা হওয়ায় সওজের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। অবৈধ দখল নিশ্চিত হওয়ার পরই সেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্য স্থায়ী অবৈধ স্থাপনাগুলোও পর্যায়ক্রমে যাচাই করে উচ্ছেদ করা হবে।
২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম

ছাগলনাইয়ায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট

ছাগলনাইয়ায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট

ফেনীতে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল গৃহবধূ ও যুবকের

ফেনীতে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল গৃহবধূ ও যুবকের

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনী ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা

এক দিনের ব্যবধানে ফেনী এনসিপির তিন নেতাকে শোকজ, একজনের সাময়িক অব্যাহতি

এক দিনের ব্যবধানে ফেনী এনসিপির তিন নেতাকে শোকজ, একজনের সাময়িক অব্যাহতি

ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের ‘রিস্টোরিং ফ্যামিলি লিংকস’ বিষয়ক কর্মশালা

ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের ‘রিস্টোরিং ফ্যামিলি লিংকস’ বিষয়ক কর্মশালা

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

তাদের মৃত্যুর কারণ এখনো 'অজানা'

তাদের মৃত্যুর কারণ এখনো 'অজানা'

ফেনী সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি

ফেনী সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি

অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই চাকরিচ্যুতি,  নেপথ্যে নানা প্রশ্ন

অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই চাকরিচ্যুতি, নেপথ্যে নানা প্রশ্ন

সোনাগাজীতে এনসিপির কর্মসূচিতে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় দুই নেতাকে শোকজ

সোনাগাজীতে এনসিপির কর্মসূচিতে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় দুই নেতাকে শোকজ



দুই মাস ধরে খোলা মুহুরী রেগুলেটরের ৪০ জলকপাট

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পাহাড়ি ঢলে মুহুরী নদীর পানির স্তর স্বাভাবিক রাখা এবং অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের লক্ষ্যে সোনাগাজী উপজেলার ফেনী রেগুলেটরের (মুহুরী সেচ প্রকল্প) ৪০টি জলকপাট গত দুই মাস ধরে খোলা রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন নদী ও খালের সঙ্গে সংযুক্ত ১০টি অভ্যন্তরীণ স্লুইস গেটও খোলা রাখা হয়েছে, যাতে লোকালয়ের পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শিহাব আহাম্মদ জানান, সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বর মাসে রেগুলেটরের গেটগুলো বন্ধ করা হয় এবং ধানের মৌসুমে সেচ সুবিধার জন্য এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এপ্রিলের শেষ দিকে গেটগুলো খুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেগুলো খোলাই রয়েছে।তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কেউ কেউ প্রচার করছেন পানির চাপে গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সঠিক নয়। এটি সম্পূর্ণ নিয়মিত পরিচালনা কার্যক্রমের অংশ।জোয়ারের সময় গেট বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, জোয়ারের সময় ফেনী নদীর দিক থেকে যাতে উল্টো প্রবাহে ভেতরে পানি প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য ফ্ল্যাপ গেটগুলো পানির চাপের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জোয়ার শেষ হলে এবং পানির চাপ কমে গেলে গেটগুলো আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়।পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টার তথ্য অনুযায়ী মুহুরী নদীর পানির স্তর ছিল ৯ দশমিক ৮৬ মিটার, যা এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। অন্যদিকে মুহুরী রেগুলেটর এলাকায় পানির স্তর ছিল ২ দশমিক ৮০ মিটার, যা স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।এদিকে বর্ষার অতিরিক্ত পানি দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন নদী ও খালের সঙ্গে সংযুক্ত ১০টি অভ্যন্তরীণ স্লুইস গেটও খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।উল্লেখ্য, ফেনী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ হ্রাস এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে মুহুরী সেচ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। মূলত এই পথ দিয়েই অতিরিক্ত পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। প্রকল্পের পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো (রেগুলেটর) ৪০টি ভেন্টবিশিষ্ট, যার মাধ্যমে নদীর পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

দুই মাস ধরে খোলা মুহুরী রেগুলেটরের ৪০ জলকপাট
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন