ফেনী    বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক ফেনী
বড় বাজারে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

বড় বাজারে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

ফেনীতে যৌথ অভিযানে ৩৩০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও মজুতের দায়ে চার ব্যবসায়ীকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শহরের বড় বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৌভিক রায়।পরিবেশ অধিদপ্তর ফেনী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নিষিদ্ধ পলিথিনের উৎপাদন, মজুত, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ বন্ধে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।অভিযানে মেসার্স রুবেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে আনুমানিক ১০০ কেজি পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয় এবং তাকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সময়ে মো. নাছিরের কাছ থেকে ২০ কেজি পলিথিন জব্দ করে তিন হাজার টাকা, ওমর ফারুকের কাছ থেকে ২০০ কেজি পলিথিন জব্দ করে এক হাজার টাকা এবং মেসার্স ফরিদ রেক্সিনের মালিক মো. ফরিদ উদ্দিনের কাছ থেকে ১০ কেজি পলিথিন জব্দ করে তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর ফেনী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. শাওন শওকত প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সিনিয়র কেমিস্ট গোলাম বাশির আহমেদ ও জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।ফেনী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট গোলাম বাশির আহমেদ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ফেনী জেলায় ক্ষতিকর পলিথিনের উৎপাদন, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম



দুই মাস ধরে খোলা মুহুরী রেগুলেটরের ৪০ জলকপাট

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পাহাড়ি ঢলে মুহুরী নদীর পানির স্তর স্বাভাবিক রাখা এবং অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের লক্ষ্যে সোনাগাজী উপজেলার ফেনী রেগুলেটরের (মুহুরী সেচ প্রকল্প) ৪০টি জলকপাট গত দুই মাস ধরে খোলা রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন নদী ও খালের সঙ্গে সংযুক্ত ১০টি অভ্যন্তরীণ স্লুইস গেটও খোলা রাখা হয়েছে, যাতে লোকালয়ের পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শিহাব আহাম্মদ জানান, সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বর মাসে রেগুলেটরের গেটগুলো বন্ধ করা হয় এবং ধানের মৌসুমে সেচ সুবিধার জন্য এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এপ্রিলের শেষ দিকে গেটগুলো খুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেগুলো খোলাই রয়েছে।তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি কেউ কেউ প্রচার করছেন পানির চাপে গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সঠিক নয়। এটি সম্পূর্ণ নিয়মিত পরিচালনা কার্যক্রমের অংশ।জোয়ারের সময় গেট বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, জোয়ারের সময় ফেনী নদীর দিক থেকে যাতে উল্টো প্রবাহে ভেতরে পানি প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য ফ্ল্যাপ গেটগুলো পানির চাপের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জোয়ার শেষ হলে এবং পানির চাপ কমে গেলে গেটগুলো আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়।পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টার তথ্য অনুযায়ী মুহুরী নদীর পানির স্তর ছিল ৯ দশমিক ৮৬ মিটার, যা এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। অন্যদিকে মুহুরী রেগুলেটর এলাকায় পানির স্তর ছিল ২ দশমিক ৮০ মিটার, যা স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।এদিকে বর্ষার অতিরিক্ত পানি দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন নদী ও খালের সঙ্গে সংযুক্ত ১০টি অভ্যন্তরীণ স্লুইস গেটও খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।উল্লেখ্য, ফেনী নদী ও কালিদাস পাহালিয়া নদীর সম্মিলিত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ হ্রাস এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে মুহুরী সেচ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। মূলত এই পথ দিয়েই অতিরিক্ত পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। প্রকল্পের পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো (রেগুলেটর) ৪০টি ভেন্টবিশিষ্ট, যার মাধ্যমে নদীর পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

দুই মাস ধরে খোলা মুহুরী রেগুলেটরের ৪০ জলকপাট
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন