আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ভোটের সমীকরণ এবার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় জটিল হয়ে উঠেছে। একদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবীদ আবদুল আউয়াল মিন্টু, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক। পাশাপাশি মাঠে রয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও। ফলে এই আসনে লড়াই কেবল ব্যক্তি বা দলকেন্দ্রিক নয়, বরং ভোটার পরিসংখ্যান, সাংগঠনিক শক্তি ও ভোট বিভাজনের অঙ্কে মূখ্য হয়ে ওঠেছে।

ফেনী-৩ আসনে এবারের ভোটের মাঠের সমীকরণে যুক্ত হয়েছে ভিন্ন মাত্রা। একদিকে ভোটের মাঠে নেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। ফলে আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাংক কোনদিকে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে অতীতে বিএনপি-জামায়াত একাধিকবার জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও এবার দুই দল বিপরীত মেরুতে থাকায় ভোটের হিসাব আর আগের মতো নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অন্যান্য আসনের ন্যায় ফেনী-৩ আসনেও এবারের নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ, দলীয় সংগঠন এবং সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে উঠে আসছে তরুণ ভোটারদের ভূমিকা।

ফেনীর দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের দুই উপজেলা সোনাগাজী ও দাগনভূঞ উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-৩ আসন। নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে এ আসনে। এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯৪ জন। এর মধ্যে দাগনভূঞা উপজেলায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৮০৫ জন এবং সোনাগাজী উপজেলায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৮৯ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে দাগনভূঞায় পুরুষ ১ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ জন, মহিলা ১ লাখ ২০ হাজার ২৯৪ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন। সোনাগাজীতে পুরুষ ১ লাখ ৩২ হাজার ৭১৭ জন, মহিলা ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৭১ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।

ফেনী-৩ আসনে সর্বমোট ৮জন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা, দলীয় অবস্থান এবং ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে তিনি এই আসনে একজন হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের কর্মীসমর্থকদের সক্রিয়তায় নির্বাচনী দৌড়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে জামায়াতের ভোটব্যাংক ও শৃঙ্খলিত সংগঠন এই আসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।এছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকায় ভোট বিভাজনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে এ আসনে।

এ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাছের, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) আবদুল মালেক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ খালেদুজ্জামান পাটোয়ারী ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. হাসান আহমদ।

জাতীয় নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী আলাদাভাবে নির্বাচন করেছে। ১৯৯১ সালে ফেনী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৬৮ ভোট। যা মোট ভোটের ১৩ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং বিএনপির পেয়েছিল ৪০ হাজার ৪০৬ ভোট, যা মোট ভোটের ৪৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে ১৯৯৬ সালে ফেনী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছিল ৮হাজার ৩৯৯ ভোট, যা মোট ভোটের ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, বিএনপি পেয়েছিল ৫৮ হাজার ৪৩২ ভোট। যা মোট ভোটের ৫১ দশমিক ৫১ শতাংশ। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে ফেনী-১ আসনে জামায়াতের গড় ভোট ১০ দশমিক ২১ শতাংশ এবং বিএনপির গড় ভোট ছিল ৪৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

তবে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছিল। ২০০১ সালে জোটের প্রার্থী অর্থাৎ বিএনপি পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৩২১ ভোট, যা মোট ভোটের ৬৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ২০০৮ সালে পেয়েছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৯ ভোট, যা মোট ভোটের ৪৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। ভোটের মাঠে এই আসনে রয়েছে ৪৫ শতাংশ তরুণ ভোটার যাদের বয়স ১৮ হতে ৩৭ বছর। এ ভোটাররা এবারই দেখতে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার এবং অনুকুল পরিবেশের নির্বাচন।

সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পৈত্রিক জেলা ফেনী। ফলে স্বাভাবিকভাবে ধরে নেওয়া হয়, এ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনই বিএনপির নিরঙ্কুশ আধিপত্য। নবম এবং অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঠিক তাই নির্দেশ করে। তবে এবার বিএনপি-জামায়াত আলাদা নির্বাচন করায় ভোটের হিসেব আগের মত নেই।

অন্যদিকে ফেনী-৩ আসনে উল্লেখযোগ্য ভোট রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছিল ৩৪ হাজার ৪৬৭ ভোট, যা মোট ভোটের ৩৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ, ১৯৯৬ সালে পেয়েছিল ৪২ হাজার ১২৯ জন, যা ছিল মোট ভোটের ৩৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।২০০১ সালে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪২ হাজার ২১২ ভোট, যা মোট ভোটের ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে ২০০৮ সালে পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৬৩০ ভোট যা প্রাপ্ত ভোটের ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

তবে বিভিন্ন দলের বাক্সে ভোটের হিসাব-নিকাশ এবারের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে কার্যকর কতটা হবে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিস হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে ১৮ থেকে ৩৭ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৫ জন। এরমধ্যে দাগনভূঞাতে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩১৫ জন এবং সোনাগাজীতে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩০ জন। যা মোট ভোটারের ৪৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ ভোটারদের বৃহৎ অংশ দেখেনি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। অধিকন্তু জুলাই স্পিরিট, সংস্কার মনোভাবাপন্ন বিশাল ভোটারের হাতে ঘটে যেতে পারে জয়-পরাজয়ের হিসাব। পাশাপাশি নির্বাচনে অনুপস্থিত নৌকা প্রতীকের ভোট পক্ষে আনায় সফলতা জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ চলক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন নির্বাচক বিশ্লেষকরা।

ফেনী-৩ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে একাধিক বিতর্ক ও অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনও আলোচনায় এসেছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ তুলে প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে আপিল আকারে উত্থাপিত হলে তা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়।

পরবর্তীতে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল রাখে। কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের পর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তি হলেও নির্বাচনী মাঠে এর প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা পুরোপুরি থামেনি।

অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বছর জুড়ে মারামারি ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ঘটনাও আলোচনায় ছিল। এসব ঘটনায় ফেনী-৩ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটির ভেতরে ঐক্যের সুর শোনা যাচ্ছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি।

এদিকে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে মাঠে সক্রিয় অবস্থানে দেখা গেছে। ধারাবাহিক সাংগঠনিক কার্যক্রম ও গণসংযোগের মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী মাঠে উপস্থিতি জোরদার করছেন।তবে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তার বিরুদ্ধে মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ঘটনা নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ফেনী-৩ আসনের ভোটের মাঠে এবার যুক্ত হয়েছে ভিন্ন মাত্রা তরুণ ভোটার। জুলাই আন্দোলন পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ভোটাররা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য, সুশাসন ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ফলে অতীতের নির্বাচনে যে হিসাবে দলগুলো ভোট পেয়েছিল, সেই হিসাব ধরে ফলাফল নির্ধারণ করা সমীচীন নয় বলেও মত বিশ্লেষকদের।

ফেনী-৩ আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে তারা প্রধানত তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নিতে চান। যার মধ্যে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি ও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় উন্নয়ন। ভোটের মাঠে এ আসনে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা বনাম সংগঠিত নতুন মাঠ রাজনীতি, প্রতিষ্ঠিত দল বনাম বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা, তরুণ ভোট বনাম ঐতিহ্যগত ভোট ব্যাংকের লড়াই।

দাগনভূঞা উপজেলার এলাকার তরুণ ভোটার সৌরভ হোসেন বলেন, ডিগ্রি শেষ করে দুই বছর ধরে চাকরির চেষ্টা করছি। নির্বাচনের সময় সবাই অনেক কথা বলে, কিন্তু নির্বাচনের পর তরুণদের কথা আর কেউ মনে রাখে না। এবার আমরা কর্মসংস্থানের বিষয়টা গুরুত্ব দিয়েই ভোট দেব। যেহেতু বেশিরভাগ ভোটার তরুণ, তাদের হাতেই মূল চাবিকাঠি থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।

সোনাগাজী এলাকার ভোটার নাসরিন সুলতানা বলেন, রাজনীতিতে মারামারি, মামলা এসব দেখে আমরা ক্লান্ত। এমন প্রতিনিধি চাই, যিনি এলাকার মানুষের কথা শুনবেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না। আমরা এমন এমপি চাই যিনি গ্রামের মানুষদের কথা চিন্তা করবেন।

নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের ভাবনা
বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ইতোপূর্বে গণমাধ্যমকে বলেন, একটি রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। জনপ্রতিনিধিহীন রাষ্ট্রে উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা টেকসই হয় না। দেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা কী, তাদের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে কী করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে আমি জানি। ফেনীর সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে এসব সমস্যার সমাধান এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর মানসিকতা নিয়েই আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এই আসনের ভোটারদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমাকে সাহস জুগিয়েছে। অতীতে আমি কখনো নির্বাচনে অংশ নেইনি, এবার জনগণের কল্যাণে সরাসরি কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই আমি ভোটের মাঠে কাজ করছি।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, আমার নির্বাচনী অগ্রাধিকারের শীর্ষে রয়েছে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন। ফেনী-৩ আসনে নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো সমস্যা রয়েছে, এসবের স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নিতে চাই।

তিনি বলেন, যুবকদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সালিসি বাণিজ্য বন্ধ এবং অবকাঠামো উন্নয়নকে আমি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। পাশাপাশি মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর ব্যবস্থা, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সার্বিকভাবে ফেনীর উন্নয়নে কাজ করতে চান বলে জানান তিনি।

ভোটার পরিসংখ্যান
সোনাগাজী উপজেলায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৮৯ জন ভোটার রয়েছেন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩২ হাজার ৭১৭ জন, মহিলা ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৭১ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।

নির্বাচন অফিসের বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সী ভোটার রয়েছেন ১৫ হাজার ৮৮৮ জন। ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার ৩৬৬ জন। ২৬ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটার ২৬ হাজার ৮৯৬ জন। ৩০ থেকে ৩৩ বছর বয়সী ভোটার রয়েছেন ২১ হাজার ৯০৫ জন এবং ৩৪ থেকে ৩৭ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৩৭৫ জন। ৩৮ থেকে ৪১ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৭৭৬ জন, ৪২ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৩ হাজার ৮২৬ জন, ৪৬ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৩১ জন, ৫০ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৩১ জন, ৫৪ থেকে ৫৭ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ২০৪ জন, ৫৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ১২২ জন এবং ষাটোর্ধ বয়সী ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজার ৭৯২ জন।

অন্যদিকে, দাগনভূঞা উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ জন, মহিলা ১ লাখ ২০ হাজার ২৯৪ জন, তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।

নির্বাচন অফিসের বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সী ভোটার রয়েছেন ১৪ হাজার ৬৮৪ জন। ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৩৯৪ জন। ২৬ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটার ২৫ হাজার ১০৭ জন। ৩০ থেকে ৩৩ বছর বয়সী ভোটার রয়েছেন ২২ হাজার ১৪৪ জন এবং ৩৪ থেকে ৩৭ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৯৮৬ জন। ৩৮ থেকে ৪১ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৫৫ জন, ৪২ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ২৩ হাজার ৩৮৪ জন, ৪৬ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৩২ জন, ৫০ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৩৯ জন, ৫৪ থেকে ৫৭ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৮৪০ জন, ৫৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৮৩৮ জন এবং ষাটোর্ধ বয়সী ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬২১ জন।