আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ফেনীর ৩টি সংসদীয় আসনে একযোগে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। গতকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) শেষ মুহূর্তের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় মুখর ছিল শহর, গ্রাম, অলিগলি, পাড়া মহল্লা। বিধি অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘন্টা আগে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা কেবল ভোটগ্রহণের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনীর ৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ১৭ দলের ২৫জন প্রার্থী। এছাড়া এই নির্বাচনে কেবল একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচনে ফেনী-১ আসনে (ছাগলনাইয়া-পরশুরাম-ফুলগাজী) ৭ জন, ফেনী-২ আসনে (ফেনী সদর) সর্বোচ্চ ১১জন এবং ফেনী-৩ (দাগনভূঞা- সোনাগাজী) আসনে ৮জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচনে ফেনীর ৩টি আসনের ৪২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ১২৫টি কেন্দ্রকে সাধারণ, ২৪৮টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপুর্ণ এবং ৫৫টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, ফেনীর ৩ আসনে ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৯২৪ জন ভোটার রয়েছেন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬৭জন, নারী ভোটার হচ্ছেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৮ জন। দৈনিক ফেনীর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ফেনীতে মোট ভোটারের ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫০ জন তরুণ (১৮-৩৭ বছর) ভোটার, যা মোট ভোটারের ৪৪.৬০ শতাংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচনে ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে তরুণ ভোটারাই।
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৭ প্রার্থী। তারা হচ্ছেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মুন্সী রফিকুল আলম মজনু, জামায়াতে ইসলামীর এস এম কামাল উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের কাজী গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আনোয়ার উল্ল্যাহ ভূঞা, জাতীয় পার্টির মোতাহের হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী ও মুসলিম লীগের মাহবুব মোর্শেদ মজুমদার। এই আসনে বিএনপি থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতার পর আসনটিতে বিএনপি ছয়বার, আওয়ামী লীগ দুইবার, জাতীয় পার্টির দুইবার ও জাসদ দুইবার বিজয়ী হয়েছিল।
ফেনী-২ (সদর) আসনের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন সর্বোচ্চ ১১ প্রার্থী। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হচ্ছে বিএনপির জয়নাল আবেদিন (ভিপি জয়নাল), জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট প্রার্থী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান মঞ্জু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ একরামুল হক ভূঞা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সামসুদ্দিন মজুমদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হারুনুর রশিদ ভূঞা, ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী তাহেরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ আবুল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের মো: তারেকুল ইসলাম ভূঞা, আমজনতা দলের সাইফুল করিম মজুমদার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইসমাইল। জেলা সদরের এই আসনে ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২টি সংসদ নির্বাচনে সাতবার আওয়ামী লীগ, দুবার বিএনপি, একবার জাসদ (রব) বিজয়ী হয়। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদিন (ভিপি জয়নাল) সাতবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, জামায়াতের ডা: মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক, জাতীয় পার্টির মো: আবু সুফিয়ান, ইসলামী আন্দোলনের মো: সাইফ উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ খালেদুজ্জামান পাটোয়ারী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাসান আহমেদ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো: আবু নাছের ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) আবদুল মালেক। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটির ভোটার অন্য দুটি আসন থেকে বেশি। অতীতের যতজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারা সবাই সোনাগাজীর বাসিন্দা ছিলেন। দাগনভূঞা উপজেলা থেকে কখনোই সংসদ সদস্য পদে কেউ জয়ী হতে পারেননি। তবে এবার ব্যতিক্রম চিত্র। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীর বাড়ি দাগনভূঞা উপজেলায়। এ আসন থেকে পাঁচবার বিএনপি, চারবার জাতীয় পার্টি, দুবার আওয়ামী লীগ ও একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ফেনী-১ আসনের সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলায় সেনাবাহিনী ছাড়া এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে ১২ প্লাটুন বিজিবি। এছাড়া নির্বাচনে ফেনীর অন্য দুটি আসনে ৯ প্লাটুন সেনাবাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মাঠে থাকবে। এছাড়া ফেনীর ৩টি আসনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৭জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তিনটি আসনে র্যাবের ২টি করে মোট ৬টি টহল দলে ৪২ জন্য র্যাব সদস্য মাঠে থাকবে। এছাড়া রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে ৩টি দলে ৩০ জন্য র্যাব সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনে পুলিশের ৪৫টি মোবাইল টিম, ৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ৫ হাজার ৫৬৪ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য জননিরাপত্তায় মাঠে থাকবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অতীতের নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও এবার প্রথমবারের মতো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে পাঁচজন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্বে থাকবে। এর মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশ ও তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ মোট ছয়জন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী সাত দিন দায়িত্ব পালন করবে এবং আনসার বাহিনী থাকবে আট দিন। এ হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট ৯৬ ঘণ্টা নির্বাচনি এলাকায় কোনো ধরনের জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে। নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় অননুমোদিত ব্যক্তিদের অবস্থান নিষিদ্ধ থাকবে। গতকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি এ সময় নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের পরিবেশ প্রভাবমুক্ত রাখা এবং যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ কমিশনার (মেট্রোপলিটন পুলিশ), জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনি এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বহিরাগত প্রভাব ঠেকাতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।
যানচলাচলে বিধিনিষেধ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সব ধরনের যান চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এর আওতায় আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টা থেকে শুরু হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচলে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা।
এর আগে, গত ১ ফেব্রুয়ারি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
দুইদিন বন্ধ থাকবে দোকানপাট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে সুবিধা দিতে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর ফলে ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি—টানা তিন দিন ছুটি থাকবে শিল্পকারখানার শ্রমিকদের।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) এমনিতেই সাধারণ ছুটি থাকে। ভোটের পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে টানা কয়েক দিন ছুটি থাকছে।
