‘আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন। আমার পরিবারটাকে আমি নিজ হাতে শেষ করে দিলাম। সুইসাইড করা ছাড়া আমার হাতে আর কোন অপশন নাই। আমার মত ছেলে যাতে আর কারো ঘরে জন্ম না নেয়। আল্লাহ হাফেজ। সবাই আমার পরিবারের দিকে একটু খেয়াল রাখবেন।’—মৃত্যুর আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে এসব লেখেন আরিফ হোসেন রানা (২৫)। 

এর কয়েক ঘন্টা পর রানার লাশ উদ্ধার করা হয় ফেনী পৌর শহরের বারাহিপুর এলাকার রেলপথে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে লাশ উদ্ধারের তথ্যটি নিশ্চিত করেন ফেনী রেলস্টেশনস্থ রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান।

নিহত রানা পৌরসভার উত্তর শিবপুর এলাকার মজুমদার বাড়ির নুর আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে পৌর এলাকার বারাহিপুর রেললাইনের ৯১/০৭-০৮ কিলোমিটার আপ লাইনের ওপর রানা ট্রেনে কাটা পড়ে গুরুতর আহত হন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় তিনি মাথায় মারাত্মক আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের রেলওয়ে পুলিশ। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

ফেনী রেলস্টেশনস্থ রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় লাকসাম জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।