ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) প্রতীক বরাদ্দে পর থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছে প্রার্থীরা। নির্বাচনে মাছ প্রতীকে জিয়া-হারুন পরিষদ এবং ছাতা প্রতীকে মিলন-পিপুল পরিষদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মোট ৫৩ প্রার্থী। এছাড়া সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোলাম মাওলা আনারস প্রতীক এবং সদস্য পদে মোস্তাফিজুর রহমান হারিকেন প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। 

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে জিয়া-হারুন পরিষদ থেকে ৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় মিলন-পিপুল পরিষদ থেকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আবু আহাম্মদ বিজয়ী হতে চলেছেন। এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে ৫৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন জিয়া-হারুন পরিষদ থেকে যুগ্ম সম্পাদক প্রার্থী এনামুল হক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুর হোসেন সেলিম ও সদস্য প্রার্থী আমির হোসেন চৌধুরী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাং আলমগীর চৌধুরী আলাল এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বুধবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ২৭টি পদের বিপরীতে ৫৬ জন মনোনয়ন জমা দেন। এর মধ্যে দুই প্যানেলে ২৭ জন করে ৫৪ জন এবং ২ জন স্বতন্ত্রপ্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। দুইটি প্যানেলের মধ্যে জিয়া উদ্দিন মিস্টার ও ফারুক হারুনের নেতৃত্বে একটি প্যানেল এবং নাসির উদ্দিন আহমেদ মিলন ও মুশফিকুর রহমান পিপুলের নেতৃত্বে আরও একটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল মনোনয়ন জমা দেন। 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৭ এপ্রিল বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ, ২৮ এপ্রিল প্রার্থীতা প্রত্যাহার, ২৯ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এবং ৯ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলাল উদ্দিন আলাল দৈনিক ফেনীকে বলেন, নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে ২৭টি শাখা কমিটির আওতায় মোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১ হাজার ৮৬০ জন ভোটার। 

তিনি জানান, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।