পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে ১২ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বাসিন্দা শামসুল করিম (৩৮)। সেখানে কর্মরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়। 

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ দেশে আসার পর পরিবারের সদস্যরা কফিন গ্রহণ করেন।

শামসুল করিম পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামের মৃত মনু মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে পরিবারের ভাগ্য বদলে সৌদি আরবে পাড়ি জমান শামসুল। তিনি তায়েফের দিরায় একটি মাজরায় (খামার) কাজ করতেন। গত ২২ মার্চ নিজ কর্মস্থলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক সহকর্মীরা সেখানকার হাসপাতালে নিয়ে গেলে শামসুল মৃত্যুবরণ করেন। সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ১৮ দিন পর তার মরদেহ কফিনবন্দি করে দেশে আনা হয়েছে। শামসুল ২০১২ সালে পরশুরামের মির্জানগর ইউনিয়নের সত্যনগর গ্রামের রিনা আক্তারকে বিয়ে করেন। পরিবারে মোহাম্মদ আরিফ (১৪) ও মো. আরাফাত (৬) নামে তাদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ।

শফিকুর রহমান নামে তার এক স্বজন বলেন, আমার ছোট বোনের স্বামী সৌদি আরবে মারা যান। দূতাবাসের মাধ্যমে তার মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। স্থানীয় জগমোহনপুর গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।