ফেনীর উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরশুরাম মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এ যেন শুক্রবার ফিরে এসেছিল স্মৃতির এক রঙিন দুপুর। দীর্ঘ ৮২ বছর পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত পুনর্মিলনীতে একে অপরকে কাছে পেয়ে আবেগে ভাসেন হাজারো প্রাক্তন শিক্ষার্থী। কারও চোখে আনন্দাশ্রু, কারও কণ্ঠে হারিয়ে যাওয়া স্কুলজীবনের গল্প—পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে তৈরি হয় এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস আর নস্টালজিয়ার আবহ।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে বিদ্যালয় মাঠে পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আড্ডায় মুখর হয়ে ওঠে প্রিয় সেই বিদ্যাপীঠ। ‘স্মৃতির নোঙর ফেলে এসো মিলি প্রাণের সৈকতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন এক হাজারেরও বেশি সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী।
উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু।
কমিটির সদস্য সচিব খুরশিদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ সচিব সুলতানা আক্তার, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক লোটন আকরাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম.শাফায়াত আখতার নূর।
অনুষ্ঠানে স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনির, জামায়াতের উপজেলা আমীর আব্দুল হালিম,।পৌর আমির মো মোস্তফা, ফেনী জেলা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট এমদাদ হোসেন, এপিপি এডভোকেট আবদুল আলিম মাকসুদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান চৌধুরী ও সাবেক প্রধান শিক্ষক দীপ্তি লাল বাবু প্রমুখ।
এদিন দুপুর সাড়ে ১২ টায় বিশেষ অতিথি ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুনর্মিলনীর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পুনর্মিলনী স্মরণিকা ‘নোঙর’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরে গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
